

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নামজারির সময় জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাই করে তা রেকর্ডে হালনাগাদের ব্যবস্থা ই-মিউটেশন সিস্টেমে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, জমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণ এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরমেন্স অনুবিভাগ থেকে সম্প্রতি এসংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার অন্যতম সমস্যা হলো জমির রেকর্ডীয় শ্রেণি নিয়মিতভাবে হালনাগাদ না হওয়া। প্রাকৃতিক কারণে কিংবা মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে জমির শ্রেণি পরিবর্তিত হলেও অনেক ক্ষেত্রে সেই পরিবর্তিত শ্রেণি সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।
ফলে ভূমি রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সময় জমির প্রকৃত ও যথাযথ মূল্য নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
এর কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমানে নিয়মিতভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তন এবং রেকর্ডীয় শ্রেণি হালনাগাদের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এ সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান ই-মিউটেশন সফটওয়্যারেও নামজারির সময় জমির রেকর্ডীয় শ্রেণি হালনাগাদের কোনো সুবিধা নেই।
এ অবস্থায় ভূমি মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে, কোনো ব্যক্তি জমি নামজারির আবেদন করলে তা মঞ্জুরের সময় জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাই করে সেটিকে রেকর্ডীয় শ্রেণি হিসেবে নামজারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
মন্ত্রণালয় মনে করছে, ই-মিউটেশন সিস্টেমে এ সুবিধা চালু হলে জমির প্রকৃত ব্যবহার ও শ্রেণি সরকারি রেকর্ডে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে। এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায় আরও কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি জমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
এ উদ্যোগের ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে আশা করছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
নির্দেশনাটি বাস্তবায়নের জন্য ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এসংক্রান্ত চিঠিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাদেকুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।


