

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) থেকে তারা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান।
তিনি বলেন, “দুদকের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। গতকাল গেজেট প্রকাশের পর আজ বেলা ২টায় চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যোগদান করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে যোগদান করতে হয়, আর এর মাধ্যম হচ্ছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। আগামীকাল থেকে তারা দুদক কার্যালয়ে এসে কাজ শুরু করবেন।”
সাইদুর রহমান বলেন, নতুন কমিশনের মাধ্যমে দুদকের নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে। বুধবার সকালে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা দুদকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সোমবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান এবং ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নতুন কমিশনারদের মধ্যে ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার এবং ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান। অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সচিব এবং ১৯৮৫ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা।
গত ৩ মার্চ চেয়ারম্যানসহ আগের কমিশনের তিন সদস্য পদত্যাগ করার পর দুদকে নেতৃত্বশূন্যতা তৈরি হয়। পরে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। ছয় দফা বৈঠক ও যাচাই-বাছাই শেষে কমিটি এ কে এম আসাদুজ্জামান, ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার নাম সুপারিশ করে।
চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দুদকের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন এমন অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আটকে ছিল। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ায় এসব কার্যক্রমে গতি ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


