

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গ্যাসের সংকট কাটাতে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। তবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক মাত্রায় ফেরেনি। দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি থেকে সরবরাহ বেড়েছে, অন্যটির মেরামতকাজও চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে দুটি টার্মিনাল থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে।
বর্তমানে দুই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে এ দুটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
গ্যাস সরবরাহে সাম্প্রতিক ঘাটতির অন্যতম কারণ ছিল সামিটের এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া। বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বাতাসের কারণে এলএনজি বহনকারী একটি জাহাজ গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। এতে ওই টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়।
পরে ১৪ আগস্ট নতুন একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছায়। এরপর শনিবার ভোর থেকে সামিট টার্মিনাল থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। বর্তমানে সেখান থেকে দৈনিক প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হচ্ছে। এই সরবরাহ ধীরে ধীরে বেড়ে স্বাভাবিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছানোর কথা।
এর পাশাপাশি, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনাল থেকেও কিছুদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। আংশিক মেরামতের পর এখন ওই টার্মিনাল থেকে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেরামতকাজ আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে শেষ হলে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকেও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। তখন সেখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা।
দুটি টার্মিনালের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে সামিট থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন এবং এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনাল থেকে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট—মোট প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।


