

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডরের বিষয়ে চীনের প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তবে বিষয়টি আলোচনাসাপেক্ষ বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেছেন, অবশ্যই আমরা এটাকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। পরবর্তী সময়ে সামনের দিনগুলোতে এটা একটা বিশাল মহাপরিকল্পনা রয়েছে। সেটি নিয়ে ডিটেইল স্টাডি করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।
শুক্রবার (৩৬ জুন) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
মিয়ানমার হয়ে করিডর প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, এখানে তো অবশ্যই আমরা চাই ব্যবসার প্রসার হোক। বাণিজ্যে প্রসার হোক। তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হবে। নতুন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে। ট্রেড ভলিউম বাড়বে। সুতরাং আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি।
তিনি বলেন, এখনও একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়নি। প্ল্যানিং স্টেজে যাবে এবং ফিজিবিলিটি করা হবে। বাট ইন জেনারেল আমরা তো চাই শুধু নির্দিষ্ট কোনও দেশ না, এর মাধ্যমে সাউথ ইস্টের অন্যান্য দেশের প্রতি মার্কেট একটা অবারিত উৎসব তৈরি হবে। আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে হয়তো বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সুতরাং অবশ্যই এটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি।
এসময় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কবে নাগাদ খুলতে পারে সে বিষয়ে জানান মাহদী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর একান্তে কথা হয়েছে। তার আলোকে ডেফিনেটলি আমাদের যে আহ্বানগুলো রয়েছে উনারা যতটা দ্রুততার সঙ্গে, যতটা আন্তরিকতার সঙ্গে, যতটা সহমর্মিতার সঙ্গে প্রসিড করার চেষ্টা করবেন ইনশাল্লাহ।
চীনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীনে ইকোনোমিক করিডোরের প্রস্তাব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টি-মডারেল ট্রান্সপোর্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
