

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশের কোথাও বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, যেখানে লোডশেডিং হচ্ছে সেটি ঝড়ের কারণে অথবা লাইন সংস্কারের জন্য সরবরাহ বিঘ্ন হচ্ছে।
রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে একজন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এমন কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আমি আগেও বলেছি, এখন বলছি—আমাদের বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। লোডশেডিংয়ের ডেফিনেশনটা (সংজ্ঞা) একটু পরিবর্তন করতে হবে। লোডশেডিং সেটাই যেটা আমার বিদ্যুতের সরবরাহ না থাকলে লোডশেডিং হয়। আর যেটা ঝড়-বৃষ্টি প্রাকৃতিক কারণে গাছ পড়ে দিয়ে যদি তার ছিঁড়ে যায়, সেটা লোডশেডিং না।
তিনি বলেন, ‘গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি না থাকলেও গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে কিছুটা বিদ্যুৎ-বিভ্রাট ঘটে এবং চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না।
তবে জ্বালানি মন্ত্রীর এমন জবাবের প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। তবে রুমিন ফারহানার দেওয়া তথ্য অস্বীকার করেন জ্বালানি মন্ত্রী।
