

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঈদুল আজহাকে ঘিরে সারা দেশে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে নগর ছাড়ছেন লাখো মানুষ। এ উপলক্ষে সরকার ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।
তবে এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাত চালু থাকবে। জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন জরুরি পরিষেবার কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন নিরবচ্ছিন্নভাবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও জ্বালানি সরবরাহসহ জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবার কর্মীরাও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।
দেশের বন্দরসমূহ সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবহন ব্যবস্থাও চালু রাখা হবে। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে না। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনের কর্মীরাও দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ছুটির বাইরে রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছে সরকার।
ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকসেবা ও এটিএম কার্যক্রম চালু রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা দেবে। বিচার বিভাগ পরিচালনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অন্যদিকে তৈরি পোশাকসহ বেসরকারি শিল্পকারখানার ছুটির বিষয়টি শ্রম আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
টানা ছুটির সমন্বয়ের অংশ হিসেবে সরকার ২৩ ও ২৪ মে সরকারি অফিস খোলা রেখেছিল। ফলে ২৪ মে অফিস শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ঈদের ছুটির আবহ।
