

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে অবস্থিত ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে এক ব্যতিক্রমধর্মী সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১০টায় ভূমিসেবা মেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র’ পরিদর্শনে যান।
প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুরা উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে। তারা দৌড়ে এসে তাকে ঘিরে ধরে এবং নিজেদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পেয়ে শিশুরা এতো খুশি হয়েছিলো যে, তারা প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে ঘিরে সেই খুশির আনন্দ প্রকাশ করছিলো। প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের কাছে পেয়ে অন্যরকম কিছুটা সময় কাটিয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটেছেন। শিশুদের বিভিন্ন রকমের চকলেট, টফি, ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন, দিয়েছেন গ্রিফট ব্যাগ। চকলেট-টফি দিতে দিকে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, আর কেউ কি বাকি আছে।’
ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ভূমি ভবনের তৃতীয় তলায়। তিনদিন ব্যাপী ভূমি মেলার উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী ভবনের নিচতলা ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ যান। আগে থেকেই একটি কেক রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী সেই কেকটি দেখে বলেন, ‘আজকে কার জন্ম দিন বলো তো? একেক জনকে বলতে শুনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমারদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সাথে কেক কাটি। শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেকটি কাটেন প্রধানমন্ত্রী।
অধ্যাপক জাহিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন শিশুদের নিয়ে কেক কাটছিলেন, শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি হ্যাপি বার্থ ডে । ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না এখানে শিশুদের কীভাবে যত্ন নেয়া হয় তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী ওই সময়ে জানতে চান, শিশুদের কী কী খাবার দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন। কী মজা কী মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।
জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারা দেশে এই ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি।
তিনি বলেন, ‘৪ বছর থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যা ৬০ জন। আজকে উপস্থিত ছিলেন ৫৫ জন।
সকাল সাড়ে ১১টা থেকে প্রায় ১৫ মিনিটের কিছু বেশি সময় ডে-কেয়ার সেন্টারে অবস্থান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিদায়ের সময় তিনি শিশুদের উদ্দেশে হাত নেড়ে ‘টা-টা’ জানিয়ে সেখান থেকে বিদায় নেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
