

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিদেশে যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন সুবিধা যুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বিদেশি দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাওয়া ভিসা বন্ড ও ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট বৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করা যাবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ-১ এক সার্কুলারের মাধ্যমে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।
এর আগে প্রচলিত বিধানে মূলত ভিসা ফি প্রেরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো এখন আবেদনকারীর পক্ষে সরাসরি দূতাবাস, হাইকমিশন বা বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে জামানতের অর্থ পাঠাতে পারবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো আবেদনকারীদের নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করতে পারবে। সেই কার্ডে ভিসা বন্ড বা নিরাপত্তা জামানতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যোগ করা যাবে। এছাড়া আগে থেকে থাকা আন্তর্জাতিক কার্ডেও ভিসা–সংক্রান্ত প্রয়োজনে অতিরিক্ত অর্থ লোড করার সুযোগ থাকবে।
এই সুবিধা পেতে হলে নির্ধারিত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে এক্সপোর্ট রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাব, রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (আরএফসিডি) হিসাব এবং এসব হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা আন্তর্জাতিক কার্ড।
লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে কড়াকড়ি যাচাই–বাছাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের বৈধ পাসপোর্ট, দূতাবাসের চাহিদাপত্র বা ইনভয়েস, অর্থের পরিমাণ ও ফেরতের শর্তসংবলিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি ভিসা আবেদনের রেফারেন্সসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথিও দিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এসব জামানত ফেরতযোগ্য হওয়ায় বিদেশি কর্তৃপক্ষ অর্থ ফেরত দিলে তা দ্রুত দেশে আনতে হবে। অর্থ ফেরত আনার দায়িত্ব আবেদনকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক—উভয় পক্ষকেই নিতে হবে।
এ ছাড়া ব্যাংকগুলোকে এসব লেনদেনের পৃথক হিসাব সংরক্ষণ, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধসংক্রান্ত বিদ্যমান বিধিমালাও কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
