বৃহস্পতিবার
২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায়ও লোডশেডিং করা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ।। ফাইল ছবি
expand
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ।। ফাইল ছবি

কৃষিখাতে সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে রাজধানী ঢাকায় সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জনগণের আস্থা কমে যাওয়ার কারণে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এলে সেখানে বিশ্বাস অর্জন করতে দেশবাসীর কিছুটা সময় লাগবে। তবে বর্তমান সরকার তাদের শপথের মর্যাদা এবং পবিত্র সংসদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। বর্তমানে এই বিদ্যুৎ সমস্যা একদিনের নয়, বরং এটি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনার ফল। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে সেটির গরমিল রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গতকাল দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, যার বিপরীতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে দেশজুড়ে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলমান ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যেই ঢাকায় প্রাথমিকভাবে প্রায় ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং পরীক্ষামূলকভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গ্যাস সংকটের কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ করা যাচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত আমদানি বাড়ানো যাচ্ছে না। তবে এ খাতে উন্নয়নের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, একটি আমদানি করা পাওয়ার প্লান্ট এবং একটি কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বর্তমানে বন্ধ থাকায় সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এগুলো পূর্ণ উৎপাদনে ফিরলে আগামী সাত দিনের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। জনগণের এই সাময়িক কষ্টের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন