

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিভিন্ন দল ও জোট এবং ব্যক্তিগতভাবে ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্মসচিব মঈন উদ্দীন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মঈন উদ্দীন খান বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের যারা প্রার্থী, তাদের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বিকেল ৪টায় শেষ হয়েছে। আমরা বিএনপি জোট থেকে ৩৬টি ও জামায়াত জোট থেকে ১৩টি মনোনয়নপত্র পেয়েছি।
তিনি জানান, এছাড়া স্বতন্ত্র মোর্চা থেকে একটি মনোনয়নপত্র পেয়েছি। ওই প্রার্থীর নাম সুলতানা জেসমিন। এর বাইরে আরও তিনজনের মনোনয়নপত্র পেয়েছি। তারা হলেন—শামমা আক্তার, মোছাম্মদ মেহরুন নেসা ও মাহবুবা রহমান। এই তিনজন কোনো দল বা জোট থেকে আবেদন করেননি। উনারা নিজেদের মতো করে জমা দিয়েছেন। এগুলো যাচাই-বাছাই শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
মঈন উদ্দীন খান আরও বলেন, তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। ২২ এপ্রিল দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা, ২৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাছাই হবে। এরপর বাছাইয়ের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কমিশনে আপিল করা যাবে। কমিশন আপিল নিষ্পত্তি করবেন ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ মে।
জাতীয় নির্বাচনে একজন প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীর ক্ষেত্রেও একই কি না এবং কেউ যদি সরকারি কোনো পদে থাকেন বা সরকারি কোনো কর্মকর্তা হন কতদিন পর তিনি নির্বাচন করতে পারবেন—এমন প্রশ্নে মঈন উদ্দীন খান বলেন, আমরা ডকুমেন্ট দেখে ডিসিশন দেবো। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবো। কারণ, নিয়ম হচ্ছে—মনোনয়নপত্র দেখার পর ডিসিশন দিতে হয়।
বিধি বা আইনটা কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিওতে) যেভাবে বলা আছে এখানে সেটাই প্রযোজ্য।
অন্য এক প্রশ্নে তিনি বলেন, জামায়াত জোট ও স্বতন্ত্র জোটের মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ এপ্রিল আর পরদিন ২৩ এপ্রিল বিএনপি জোটের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ১২ মে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। সে হিসাবে, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি ও স্বতন্ত্ররা মিলে একটি সংরক্ষিত আসন পাবে। প্রার্থীর সংখ্যা বেশি না হলে সাধারণত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
মন্তব্য করুন