শনিবার
০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শনিবার
০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইংরেজি শিখতে সচিবদের থাইল্যান্ডে পাঠানোর খবর, যা বলছে মন্ত্রণালয়

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত 'ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' শীর্ষক সংবাদটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংবাদটিকে প্রত্যাখ্যান করে এর প্রতিবাদ জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, এটি সচিবদের জন্য গৃহীত কোন প্রশিক্ষণ বা কেবলমাত্র ইংরেজি শিক্ষার প্রশিক্ষণ নয়; বরং এটি সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। ‘Strengthening Institutional Capacity of BIAM for Conducting Core Courses’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় (i) Governance, Financial Management & Public Procurement (GFMPP) Course (ii) Negotiation Skills and English Proficiency (NSEP) Course (iii) Policy Formulation: e-Governance & ICT (PF:EGICT) Course-সমূহ দেশে এবং দেশের বাহিরে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। উল্লিখিত কোর্সসমূহের English Proficiency-সহ বেশ কিছু অংশ ইতোমধ্যে দেশেই সম্পন্ন হয়েছে। বেশ ক’টি ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশ ইতালীতে সম্পন্ন হয়েছে। Negotiation Skills-এর বৈদেশিক অংশ যুক্তরাজ্যের Civil Service College-এ আয়োজনের সিদ্ধান্ত থাকলেও বিদ্যমান বাস্তবতায় সরকারের আর্থিক সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অবশিষ্ট প্রশিক্ষণার্থীদের বৈদেশিক প্রশিক্ষণের অংশটুকু ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার দেশসমূহের কোন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, প্রশিক্ষণটি জাপান সরকারের DRGACF ফান্ডের টাকায় পরিচালিত হবে। এর সাথে বাংলাদেশ সরকারের কোন আর্থিক সংশ্লেষ নেই।

তৃতীয়ত, সংবাদে উল্লেখিত প্রশিক্ষণের গন্তব্য ‘পাতায়া’ নয়। এটির সম্ভাব্য ভেন্যু থাইল্যান্ড বা মালেশিয়া বা এশিয়ার কোন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে মর্মে পরিকল্পনা করা হচ্ছে । কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘পাতায়া’ উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করে প্রশিক্ষণটিকে ‘পর্যটন কেন্দ্রিক’ ও অপ্রাসঙ্গিক দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

চতুর্থত, এই প্রস্তাবটি এখনও একনেকে (ECNEC) অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়নি।

প্রকাশিত সংবাদ অসত্যভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। সম্যক ধারণা ব্যতীত জনপ্রশাসন সম্পর্কে এ রকম অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের মত স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের জন্য বিব্রতকর এবং অনাকাঙ্খিত।

এ প্রসঙ্গে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই প্রস্তাবটি এখনও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়নি। অর্থাৎ, এটি এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং প্রক্রিয়াধীন একটি বিষয়। সম্যক ধারণা ব্যতীত জনপ্রশাসন সম্পর্কে এ রকম অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের মতো স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের জন্য বিব্রতকর এবং অনাকাঙ্খিত।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন