

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য তৈরি হয়েছে এক দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, নির্ধারিত সরকারি ছুটির সঙ্গে মাত্র কয়েক দিনের নৈমিত্তিক ছুটি যোগ করলেই টানা ১০ দিনের একটি বিশাল অবকাশ যাপন করা সম্ভব হবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সেই হিসেবে ২০২৬ সালে ঈদের জন্য ৫ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এই ছুটি শুরু হবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে এবং চলবে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত। তবে এর ঠিক আগেই রয়েছে শবে কদরের ছুটি।
ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১৭ মার্চ শবে কদরের জন্য সরকারি ছুটি বরাদ্দ রয়েছে। মাঝখানে ১৮ মার্চ (বুধবার) একদিনের কর্মদিবস। যদি কোনো চাকুরিজীবী এই ১৮ মার্চ তারিখে একদিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিতে পারেন, তবে তিনি ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের একটি নিরবচ্ছিন্ন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
ঈদের ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হবে স্বাধীনতা দিবসের আবহ। ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) মহান স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটি। এর ঠিক পরেই ২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পর মাঝখানের দুই দিন অর্থাৎ ২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার ও বুধবার) বাড়তি ছুটি নিলেই সুযোগটি বিশাল আকার ধারণ করবে।
যদি কেউ পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি ম্যানেজ করতে পারেন, তবে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটিতে থাকা সম্ভব হবে। এর ফলে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন সরকারি কর্মকর্তারা।
দীর্ঘ এই ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকেই ইতোমধ্যে গ্রামে ফেরার বা ভ্রমণের পরিকল্পনা শুরু করেছেন। তবে এই দীর্ঘ ছুটির ফলে যেন দাপ্তরিক কাজে কোনো স্থবিরতা না আসে, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন

