

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা জোরালো হয়েছে। বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়েও চলছে নানা জল্পনা।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন-এর নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান-এর নামও আলোচনায় রয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের পথে রয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিসভা গঠনকে ঘিরে দলের ভেতরে আলোচনা চলছে। মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়েও মতবিনিময় হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পদত্যাগ করতে পারেন- এমন ইঙ্গিত তিনি গত ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তিনি। সংবিধান অনুযায়ী তাঁর মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকলেও দায়িত্বে অব্যাহত থাকা নিয়ে তাঁর অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি সরকার গঠন করলে খন্দকার মোশাররফ হোসেন রাষ্ট্রপতি পদে আসতে পারেন-এমন আলোচনা আগে থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল। তিনি কুমিল্লা–১ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং অতীতে জ্বালানি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে নজরুল ইসলাম খান রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় থাকলেও দলীয়ভাবে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে তিনি বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তবে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে দায়িত্ব নেবেন- সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মন্তব্য করুন

