

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল অনেকেরই দেখা যায়। অনিয়মিত ঘুম, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অ্যালার্জি, পানিশূন্যতা, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা কিংবা বংশগত কারণেও এটি হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বক পাতলা হয়ে গেলেও চোখের নিচের অংশে কালচে ভাব বেশি দৃশ্যমান হতে পারে।
ঘুমের ঘাটতি হলে ত্বক ফ্যাকাশে দেখাতে পারে এবং চোখের নিচে ফোলাভাব তৈরি হয়। এতে ওই অংশের রক্তনালি বা ছায়া আরও স্পষ্ট হয়ে কালচে দেখাতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করুন। রাত জাগার অভ্যাস থাকলে তা কমানোর চেষ্টা করুন।
পানি পান: শরীরে পানিশূন্যতা যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
স্ক্রিন টাইম কমান: দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে চাপ পড়তে পারে। কাজের ফাঁকে চোখকে বিশ্রাম দিন।
ঠান্ডা কম্প্রেস: চোখের নিচে ঠান্ডা কাপড় দিয়ে কিছুক্ষণ হালকা কম্প্রেস দিলে ফোলাভাব সাময়িকভাবে কমতে পারে। খুব ঠান্ডা বরফ সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
মাথা সামান্য উঁচু করে ঘুমান: ঘুমানোর সময় অতিরিক্ত একটি পাতলা বালিশ ব্যবহার করলে চোখের নিচে তরল জমে ফোলাভাব তৈরি হওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।
সানস্ক্রিন ব্যবহার: বাইরে যাওয়ার সময় চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকে উপযোগী সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। চোখের ভেতরে যেন না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাবার: পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খান। শাকসবজি, ফল, প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন-খনিজসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
ডার্ক সার্কেল সাধারণত জরুরি কোনো রোগের লক্ষণ নয়। তবে চোখের নিচে অতিরিক্ত ফোলাভাব, শরীরে পানি জমা, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, চোখের চারপাশে ব্যথা বা হঠাৎ একপাশে কালচে ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বংশগত বা দীর্ঘদিনের ডার্ক সার্কেল হলে ঘরোয়া যত্নে পুরোপুরি দূর নাও হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি, যেমন নির্দিষ্ট স্কিন কেয়ার, রাসায়নিক পিল, লেজার বা অন্যান্য পদ্ধতির পরামর্শ দিতে পারেন।


