

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মা দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছে ভারতের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দিয়েছে- যেসব কর্মী বাবা-মাকে নিয়ে ঘুরতে যাবেন, তারা পাবেন তিন দিনের বেতনসহ ছুটি এবং অতিরিক্ত ১০ হাজার রুপি ভাতা।
শনিবার (৯ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিভিত্তিক এক উদ্যোক্তা এমন ঘোষণা দিয়েছেন। তার এ ঘোষণার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওতে মার্কেটিং ও পিআর প্রতিষ্ঠানের সিইও রজত গ্রোভার বলেন, তিনি চান তার কর্মীরা বাবা-মায়ের সঙ্গে কিছু সময় কাটাক এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করুক। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় সন্তানরা অনেক সময় বাবা-মায়ের অপূর্ণ ইচ্ছা ও স্বপ্নের কথা ভুলে যায়।
ভিডিওতে গ্রোভার বলেন, অনেক সময় আমরা তাদের কিছু জিজ্ঞেসই করি না। আমরা নিজেদের ব্যস্ত জীবনে ডুবে থাকি। সকালে বের হই, রাতে বাসায় ফিরি। কখনো তাদের কিছু জানতে চাই না। অনেক সময় জানলেও কিছু বলি না। এমনকি তাদের স্বাস্থ্যের খবরও ঠিকমতো রাখি না।
ভিডিওতে তিনি কর্মীদের জন্য তিন দিনের ছুটির ঘোষণা দেন এবং বাবা-মায়ের প্রিয় খাবার কী কিংবা তারা কোথায় ঘুরতে যেতে চান, সেটা জানতে অনুরোধ করেন।
গ্রোভার বলেন, তাদের জিজ্ঞেস করুন, টিকিট বুক করুন, তিন দিনের জন্য ব্যাগ গুছিয়ে ফেলুন। এটি কোম্পানির পক্ষ থেকে বেতনসহ ছুটি হবে। এ জন্য আমরা ১০ হাজার রুপি ফেরত দেব। এটি আমাদের পক্ষ থেকে একটি ছোট্ট উদ্যোগ।
ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, আমরা প্রায়ই সেই মানুষগুলোর কাছে ‘একদিন’ বলি, যারা পুরো জীবন আমাদের জন্য ‘হ্যাঁ’ বলে গেছে। কোনো ধরনের প্রত্যাশা ছাড়াই আমাদের বাবা-মা তাদের সময়, স্বপ্ন, শক্তি আর জীবনের অনেক বছর আমাদের জন্য উৎসর্গ করেছেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই গ্রোভারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এমন পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, আজকের করপোরেট দুনিয়ায় এমন মানসিকতার মানুষ খুবই বিরল। এমন উদ্যোগ দেখতে সত্যিই ভালো লাগছে।
আরেকজন মন্তব্য করেন, ইশ, যদি পুরো পৃথিবী এভাবে ভাবতে শুরু করত!
অপর এক ব্যবহারকারী বলেন, “কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ ও মান উন্নয়নের জন্য এটি দারুণ উদ্যোগ। কারণ আমরা দিনের অর্ধেক সময় কর্মস্থলেই কাটাই। কর্মস্থলের পরিবেশ যদি ইতিবাচক ও সহায়ক হয়, তাহলে কাজের উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নতিও দ্রুত হবে।
