

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গুমের শিকার পরিবারের সদস্যরা একে একে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিচ্ছেন। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, অপরাধীদের বন্ধু মনে করার কোনো কারণ নেই। তারা যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে। বিষয়টি মাথায় রেখেই প্রসিকিউশন কাজ করছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য এখানে দায়িত্ব পালন করা নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা তাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে।
তিনি বলেন, কিছু গোপন তথ্যও প্রসিকিউশনের কাছে রয়েছে। এসব তথ্য অনুযায়ী, কিছু আসামি যেকোনো ধরনের নাশকতা বা স্যাবোটাজের ঘটনা ঘটাতে পারে।
এসব বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করে প্রসিকিউশন কাজ করছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ নামে একটি আইন হতে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত যুগোপযোগী আইন। এই আইনের মাধ্যমে সারা দেশে গুমের বিচার হয়তো নতুন মাত্রা ও গতি পাবে।
তিনি বলেন, যারা গুমের সঙ্গে জড়িত, তারা অত্যন্ত শক্তিশালী। বিষয়টি মাথায় রেখেই একদিকে প্রসিকিউশনের সদস্যরা সতর্ক রয়েছেন, অন্যদিকে গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদেরও সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করছে প্রসিকিউশন।
গত এক সপ্তাহ ধরে ‘স্যাবোটাজ’ শব্দটি বেশি আসছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে প্রতিটি কর্মকাণ্ড এবং প্রতিটি বিষয় তাদের নজরদারির মধ্যে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি কোনো অপতৎপরতা দেখাতে চান, এটা তাদের জন্য আত্মঘাতী হবে। এরকম কোনো দুষ্ট চিন্তা যদি কারও মনে থাকে, কোনো অপরাধী যদি অন্য কোনো বিষয় চিন্তা করেন, সেটিও তাদের জন্য আত্মঘাতী হবে।’


