

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর তিনি গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। তবে এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শাহে আলমকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গুলশানে তাকে মারধরের পর থানায় সোপর্দ করে স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা। পরদিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এছাড়া ওই মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক চিফ হুইপ নুরে আলম চৌধুরী লিটন, সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ।
এদিকে ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বরিশালে তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়। ওই মামলায় তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকেও আসামি করা হয়।
পরে ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
