

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। দাবি আদায়ে অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের সব সরকারি দপ্তরে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
একই সঙ্গে চলমান গণকর্মবিরতি কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হবে। দাবি পূরণে সরকার কার্যকর উদ্যোগ না নিলে আন্দোলনের মাত্রা আরও বাড়ানো হবে বলে জানান নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত সাত বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা বেতন কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর অংশগ্রহণে একটি বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় আশা করা হয়েছিল, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই গেজেট প্রকাশ হবে। তবে প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ২১ জানুয়ারি কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও গেজেট প্রকাশ না করে নতুন কমিটি গঠনের কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এতে কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
এ ছাড়া জ্বালানি উপদেষ্টার একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। সমাবেশে জানানো হয়, ওই মন্তব্যে বলা হয়েছিল- বর্তমান সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন ঠেকাতে কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এই বক্তব্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র হতাশা সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
সমন্বয় পরিষদের নেতারা জানান, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচি সাজানো হয়েছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
মন্তব্য করুন

