

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উচ্চ রক্তচাপ একটি নিরব ঘাতক। অনেক সময় কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ ছাড়াই এটি শরীরে বছরের পর বছর বাসা বেঁধে রাখতে পারে। রক্তচাপ বাড়লেই যে মাথাব্যথা, ঘাড়ব্যথা বা মাথা ঘোরার মতো লক্ষণ দেখা দেবে- এই ধারণাটি সঠিক নয়।
লক্ষণহীন ক্ষতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
অনেক সময় রক্তচাপ বাড়লেও শরীর সময়ের সাথে তা মানিয়ে নেয়। ফলে বাহ্যিকভাবে সুস্থ মনে হলেও ভেতরে-ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর ওপর চাপ পড়তে থাকে।
দীর্ঘদিন অতিরিক্ত রক্তচাপ থাকলে হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মাধ্যমে রক্তচাপের বিষয়টি প্রথম ধরা পড়তে পারে।
কাদের ঝুঁকি বেশি?
বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকি বাড়লেও বর্তমানে তরুণদের মধ্যেও এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রধান ঝুঁকিগুলো হলো:
শনাক্ত করার উপায়
যেহেতু লক্ষণ দেখে উচ্চ রক্তচাপ বোঝা যায় না, তাই নিয়মিত রক্তচাপ মাপাই এটি জানার একমাত্র উপায়। বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সের পর সবারই নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত।
বাড়িতে ভালো মানের ডিজিটাল যন্ত্র দিয়ে রক্তচাপ মাপা যেতে পারে।
একবার রক্তচাপ বেশি আসলেই আতঙ্কিত না হয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সঠিক নিয়মে পুনরায় মেপে নিশ্চিত হতে হবে।
শুধুমাত্র ‘ভালো বোধ করছি’ ভেবে নিশ্চিন্ত থাকা যাবে না; অনুভূতির চেয়ে পরিমাপের সঠিক সংখ্যাটিই আসল।
নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে করণীয়
জীবনযাপনে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:
খাবার: রান্নায় ও পাতে অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়া পরিহার করা এবং প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া।
অভ্যাস: নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো।
ওষুধ: চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ শুরু করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এলেও নিজের মনমতো ওষুধ বন্ধ করা যাবে না।
চুপচাপ রক্তচাপ বাড়ছে কি না তা জানতে নিয়মিত রক্তচাপ মেপে দেখা অত্যন্ত জরুরি।



