

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আমির খান ও পূজা বেদির সম্পর্ক নিয়ে একসময় বলিউডে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। ১৯৯২ সালের জনপ্রিয় ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ সিনেমায় একসাথে কাজ করার পর থেকে তাদের প্রেমের গুঞ্জন উঠলেও, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পূজা বেদি অত্যন্ত আমোদ নিয়ে পুরো বিষয়টিকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও স্রেফ হাসির খোরাক।
তবে সেই গুঞ্জনের আড়ালে ঢাকা পড়ে যাওয়া এক দারুণ ও মজার স্মৃতি তিনি শেয়ার করেন ১৯৯৫ সালের ‘আতঙ্ক হি আতঙ্ক’ ছবির শুটিং থেকে। চলচ্চিত্রটির একটি রোমান্টিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কাজ শেষ হওয়ার পর মুম্বাইয়ের ফিল্ম সিটির এক বাংলোর ঘরে পূজা ও আমিরকে একা অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল।
আজকালকার মতো ভ্যানিটি ভ্যানের সংস্কৃতি তখন না থাকায়, দরজা বন্ধ একটি ঘরে বিছানার পাশে আমির খানের সঙ্গে একা বসে থাকা নিয়ে নবীন অভিনেত্রী পূজা বেশ অস্বস্তি ও দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। ততদিনে বলিউডের নানা রসালো গল্প ও গুঞ্জন তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, যা তার নার্ভাসনেস আরও বাড়িয়ে দেয়।
ঠিক সেই মুহূর্তে পুরো থমথমে পরিবেশ বদলে যায় আমিরের এক অপ্রত্যাশিত প্রশ্নে। পূজা যখন মনে মনে নানা সংশয়ে ভুগছেন, আমির হঠাৎ তার দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বলে ওঠেন- ‘দাবা খেলবে?’
আমিরের এই একটি মাত্র প্রশ্নেই মুহূর্তের মধ্যে পূজার সব নার্ভাসনেস হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। এর আগেও তারা কাজের ফাঁকে দাবা খেলতেন, তাই তৎক্ষণাৎ স্বস্তি ফিরে পেয়ে পূজা রাজি হয়ে যান এবং দাবার বোর্ড আনিয়ে খেলা শুরু করেন।
বহু বছর পর স্মৃতিটি রোমন্থন করে আমির খানের তীব্র প্রশংসা করেন পূজা। ক্যামেরা বন্ধ হওয়ার পর সহকর্মীর প্রতি সৌজন্য বজায় রাখার এই মানসিকতা তুলে ধরে তিনি আমিরকে একজন প্রকৃত ভদ্রলোক ও পেশাদার সহশিল্পী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
বর্তমানে পূজা বেদিকে সর্বশেষ নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘মাসাবা মাসাবা’-তে দেখা গেছে, অন্যদিকে প্রযোজক হিসেবে আমির খানের পরবর্তী চলচ্চিত্র ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।


