

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারবেন -এমন প্রার্থীই খুঁজছেন ভোটাররা।
তবে অতীত অভিজ্ঞতায় নির্বাচনের পর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের প্রতি একধরনের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী পদ্মাবেষ্টিত দোহার ও ইছামতী নদীবেষ্টিত নবাবগঞ্জ এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে অনেকটাই পিছিয়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী দখল, দূষণ ও নাব্যতা সংকটে ইছামতী প্রায় মৃতপ্রায়। পদ্মা ভাঙন রোধে কিছু কাজ হলেও মাদক, বেকারত্ব, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন দোহার-নবাবগঞ্জবাসী।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, লেবার পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে সরব। প্রায় সব প্রার্থীর ইশতেহারেই গুরুত্ব পেয়েছে মাদক ও বেকারত্ব ইস্যু। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোর সমাজে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
দোহারে এক গণসংযোগকালে ঢাকা জেলা বিএনপি সভাপতি ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ইছামতী নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।
কৈলাইল থেকে কার্তিকপুর ও ঘোষাইল বেড়িবাঁধ হয়ে প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদী খননের পাশাপাশি পদ্মা থেকে স্লুইচ গেটের মাধ্যমে পানি প্রবাহ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারলে যুবসমাজকে মাদক থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
জামায়াত প্রার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত চরমভাবে অবহেলিত। তিনি বলেন, বিদেশগামীদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ইছামতীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা সেলিমা হুদা তাঁর প্রয়াত পিতার (সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা) স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমার বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করাই আমার স্বপ্ন। আমি নিজে না পারলেও সবার সহযোগিতা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে চাই।
ভোটাররা এবার কার প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রাখবেন এবং কে হবেন ঢাকা-১ আসনের কর্ণধার, তা জানা যাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন।
মন্তব্য করুন
