

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫–এ অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে কালক্ষেপণের অভিযোগ করেছেন পরাজিত ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা।
আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন তারা।
প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে নানাবিধ জালিয়াতি ও অসঙ্গতির প্রমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও লিখিত আবেদন দেওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং আশ্বাস দিয়েও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছেন।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচনের আগে পোলিং এজেন্টের তালিকা যথাসময়ে প্রকাশ না করা, ভোটের দিন ৮টির পরিবর্তে ১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ, পোলিং অফিসার নিয়োগে অস্পষ্টতা এবং নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও গার্লস গাইডের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ভোটের দিন অনেক বুথে মার্কার পেনের পরিবর্তে বলপেন দিয়ে ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ায় ওএমআর মেশিন সঠিকভাবে ভোট গণনা করতে পারেনি।
পাশাপাশি ব্যবহৃত আঙুলের কালি অস্থায়ী হওয়ায় একই ব্যক্তি একাধিকবার ভোট দিয়েছে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
জিএস প্রার্থী তানভীর বারি হামিম অভিযোগ করেন, ভোটার উপস্থিতির তালিকা ও ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ প্রদানের জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ব্যবহৃত ব্যালট পেপারের সংখ্যা, ছাপাখানা, বিতরণ, বাতিল ও ফেরত আসা ব্যালটের হিসাবও গোপন রাখা হয়েছে। এমনকি ব্যবহৃত ব্যালট পেপারে ক্রমিক নম্বর না থাকায় কারচুপির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী বলেন, ইতিহাসের পাতায় এবারের ডাকসু নির্বাচন একটি নেতিবাচকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হিসেবে ঠাঁই পেতে যাচ্ছে।
আমরা আশা করব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পথে ফিরে এসে অনিয়মের যথাযথ তদন্ত করে সত্য উন্মোচন করবে। যদি উন্মোচন না করে তাহলে আমরা এই ডাকসু নির্বাচন মানিনা। এটা অবৈধ নির্বাচন।”
মন্তব্য করুন
