

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, তা গড়ায় সোয়া ৯টায়। যা, চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।
এদিন, সকাল থেকে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। স্টুডেন্ট আইডি কার্ড প্রদর্শন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
এরপর ভোটার স্লিপ দেখে বুথে প্রবেশ করে ভোট দিচ্ছেন তারা। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সতর্ক অবস্থায় দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
ক্যাম্পাসের মূল ফটকেই দেখা যায় পুলিশ-র্যাব-বিজিবির উপস্থিতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বর, কাঁঠাল তলা, শহীদ মিনার, বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায়।
এছাড়াও, ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটসকেও শৃঙ্খলার দায়িত্বে দেখা যায়।
দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জকসু নির্বাচনের পর্যবেক্ষক ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংকের সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ বিল্লাহ হোসেন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভালো রয়েছে।
তবে দু-একটি বুথে পুরোপুরি নির্বাচনী নিয়ম না মানার অভিযোগ করেন জবি'র এই শিক্ষক।
এরপর, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি রইছ উদ্দীন বলেন, এখন পর্যন্ত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো।
তবে, যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে থাকা বহিরাগতদের সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
এনপিবি নিউজকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, জকসু নির্বাচন ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ।
ভোট গ্রহণ, গণনাসহ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাস এলাকায় থাকবে পুলিশ।
জকসু নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
তথ্য বলছে, নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। এতে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন।
সেগুলো হলো ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট-সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি–সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।
এ ছাড়া স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে ভিপি পদে লড়ছেন ১২ জন, জিএস পদে ৯ জন এবং এজিএস পদে লড়ছেন ৮ জন।
মন্তব্য করুন
