

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) বলেছেন, গত ১১ মাসে তারা যে কাজ করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে তা কেউ করতে পারেনি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার বি-উপনিবেশায়ন : আবদুল মালেকের শিক্ষা-প্রস্তাবনা ও বর্তমান বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সাদিক কায়েম অভিযোগ করে বলেন, “গত ১১ মাস ধরে কাজ করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শত শত অসহযোগিতা পেয়েছি। প্রত্যেকটি জায়গায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আমাদের অসহযোগিতা করা হয়েছে। তারপরও ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করে, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যাম্পাসের মধ্যে পড়াশোনার পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক গুণ বেড়েছে।”
তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষার্থীদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক মতামত পাওয়া গেছে। তার দাবি, ডাকসুর বর্তমান নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যাম্পাসে সহিংসতার মাত্রা প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছে।
আবদুল মালেকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এ ক্যাম্পাসের প্রথম ছাত্রহত্যা শহীদ আবদুল মালেকের শাহাদাতের মাধ্যমে হয়েছে।” তিনি আবদুল মালেকের শিক্ষা-ভাবনাকে বর্তমান শিক্ষা সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত করে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং নতুন শিক্ষা কাঠামোতে আধুনিকতা ও আধ্যাত্মিকতার সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।
নিজেদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে তিনি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু, আবাসন সংকট নিরসনে ২৮৪১ কোটি টাকার প্রকল্প, কেন্দ্রীয় মসজিদের সংস্কার, দুই কোটি টাকার খেলাধুলার ফান্ড ও ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নারীদের জন্য জিমনেশিয়াম তৈরির উদ্যোগের কথা জানান।
“আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু আমরা কথা দিয়ে কথা রেখেছি,” বলেন তিনি। ডাকসু ভিপি আরও বলেন, তারা শুধু অভিযোগ করেনি, বরং নিজেরা প্রমাণ করে দেখিয়েছে কীভাবে কাজ করতে হয়।


