সোমবার
২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের গৌরবগাথা: ছাত্রদল সভাপতি

জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
expand
জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের গৌরবগাথা: ছাত্রদল সভাপতি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের গৌরবগাথা উল্লেখ করে এর ইতিহাস ও চেতনাকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্মরণে জুলাই, ছাত্রদল ও অন্যান্য’ শীর্ষক স্মরণসভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের গৌরবগাথা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মতোই এটি জাতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাই এ আন্দোলনের চেতনা ও আদর্শ আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সবার কাছে ভিন্ন হতে পারে, তবে এর মূল শিক্ষা ও চেতনা অটুট রাখতে নিয়মিত আলোচনা ও স্মরণমূলক আয়োজন প্রয়োজন।”

স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের পক্ষে একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন। এ আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “জুলাই আন্দোলন কোনো স্বল্পমেয়াদি ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিক ফল। বহু বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পথ তৈরি হয়েছে।”

সভাপতির বক্তব্যে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক। শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা সঠিকভাবে তুলে ধরতে গবেষণা, আলোচনা ও স্মরণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।”

স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দীন বাসিত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি এ কে এম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক রায়হান হাসান রাব্বি, শাখা ছাত্রশক্তির সদস্যসচিব শাহিন মিয়া, মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস শেখ, জকসুর প্রতিনিধি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক নুর নবী, সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লাসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন