

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ( জাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরীন ইসলাম খান কর্তৃক গণমাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) এবং একইসাথে এ সংক্রান্ত চাটুকারি বক্তব্য প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু ও জিএস মো. মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্প্রতি অধ্যাপক নাহরীন ইসলাম একটি টেলিভিশন মিডিয়ার টকশোতে 'জাকসু নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে' বলে মন্তব্য করেছেন যা সুস্পষ্টভাবে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর।
তিনি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অবতারনা করতে গিয়ে ব্যালটের মুড়িবই না থাকা, ব্যালটে নাম্বার না থাকা ও হাতে অমুছনীয় কালি না দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন যা সুষ্পষ্ট মিথ্যাচার ব্যতীত আর কিছু নয়।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, নির্বাচনকালীন ৫ শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত থাকলেও কোথাও নির্বাচনে জালিয়াতির একটি অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বরং নির্বাচন চলাকালে একটি নির্দিষ্ট সংগঠনকে জেতাতে তিনি যে অপতৎপরতা, জোরপূর্বক ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ, অরাজকতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালিয়েছেন তা ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে এবং ক্যাম্পাসসহ পুরো দেশবাসীর কাছে তা স্পষ্ট হয়েছে।
আমরা মনে করি, দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশী সময় ধরে আকাঙ্ক্ষিত জাকসু নির্বাচন নিয়ে অধ্যাপক নাহরিন খানের এমন মিথ্যাচার গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিনিধি নির্বাচনকারী শিক্ষার্থীদের মতামতকে অবমূল্যায়নের নামান্তর।
কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া নির্বাচন এমন মিথ্যাচার একজন শিক্ষকের কাছে অপ্রত্যাশিত।
আমরা আশা করি, অধ্যাপক নাহরীন ইসলাম অবিলম্বে তার মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তিনি এ বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন
