

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘রান ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক ম্যারাথন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নোবিপ্রবি ব্লাড ব্রিগেডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ম্যারাথনে দুই ক্যাটাগরিতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়ে সোনাপুর সড়ক ঘুরে পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
ম্যারাথনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পতাকাবাহী প্রথম বিশ্বজয়ী পরিব্রাজক নাজমুন নাহার। নোবিপ্রবি ব্লাড ব্রিগেডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান ফর বাংলাদেশ ২০২৬’ কর্মসূচিতে তাঁর উপস্থিতি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ যোগায়।
প্রতিযোগিতাটি দুইটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয় - সাড়ে সাত কিলোমিটার ও দুই কিলোমিটার। নারী ও পুরুষ উভয় ক্যাটাগরিতে আলাদাভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। বিজয়ীদের জন্য মোট ১৮ হাজার টাকা প্রাইজমানি ছাড়াও পরিবেশবান্ধব গাছ উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল জার্সি, মেডেল ও সার্টিফিকেট।
সাড়ে সাত কিলোমিটার পুরুষ ক্যাটাগরিতে প্রথম হন এলএক্স পারভেজ, দ্বিতীয় জাহিদুর রহমান এবং তৃতীয় হন রাসেল। দুই কিলোমিটার পুরুষ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন শাহরিয়ার, দ্বিতীয় মাইনুদ্দীন ও তৃতীয় ইয়াসিন আরাফাত। দুই কিলোমিটার নারী ক্যাটাগরিতে প্রথম হন সুয়েটি, দ্বিতীয় মুক্তি এবং তৃতীয় সুহানা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাজমুন নাহার বলেন, তিনি লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে বিশ্বের ১৮৪টি দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরছেন। নোবিপ্রবির এই ম্যারাথনে অংশ নিতে পেরে তিনি আনন্দিত উল্লেখ করে বলেন, “এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থী, নারী ও শিশুরাও অংশ নিয়েছে—যা আমাকে আবেগাপ্লুত করেছে। সুস্থ থাকাই জীবনের সব অর্জনের মূল চাবিকাঠি। হাঁটার অভ্যাসই আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তি দিয়েছে।”
নোবিপ্রবি ব্লাড ব্রিগেডের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “রক্তদান ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমরা রানিং প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নিই। আমাদের লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি রানার ও স্পোর্টস-মনস্ক শিক্ষার্থী তৈরি করা।”
তিনি আরও বলেন, “গত বছরের মতো এবারও সফলভাবে আয়োজনটি সম্পন্ন করতে পেরেছি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই আয়োজন বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী সবাইকে, বিশেষ করে স্পন্সর ও মিডিয়া পার্টনারদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও ‘রান ফর বাংলাদেশ’ ম্যারাথনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে।”
মন্তব্য করুন
