

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন হলের ৩৩ জন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে জাবি শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ অন্তরের স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১০টি হলের ৩৩ জন নেতাকে শোকজ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পূর্বঘোষিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত কর্মসূচিতে দলের সকল দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করা গেছে যে, হল পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থাকা সত্ত্বেও উল্লিখিত নেতারা কোনো প্রকার পূর্ব অবহিতকরণ বা অনুমতি ছাড়াই কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন।
শোকজ প্রাপ্তদের মধ্যে আল বেরুনী হলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলামসহ ৭ জন; শহীদ সালাম বরকত হলের সিঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান হিরণ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাকিব; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সভাপতি মেহেদী হাসান ইমনসহ ৪ জন; নবাব সলিমুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ রিমনসহ ২ জন; শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ২ জন এবং শহীদ রফিক জব্বার হলের ৩ জন, মীর মশাররফ হলের সভাপতি শেখ সাদী হাসানসহ ৩ জন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৩ জন, আ ফ ম কামাল উদ্দীন হলের সভাপতিসহ ৫ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের দুইজন রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে যা বলা হয়েছে: নেতৃবৃন্দের এই আচরণকে দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি এবং দায়িত্বহীনতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "আপনার এ ধরনের দায়িত্বহীন আচরণ শুধু দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে প্রত্যাশিত ন্যূনতম সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।"
শোকজ প্রাপ্ত নেতাদের আগামী ২ (দুই) কার্যদিবসের মধ্যে তাদের অনুপস্থিতির সুস্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত কারণ লিখিতভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকের নিকট ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন
