

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। এরপরই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এ বছর একাদশে ভর্তি প্রক্রিয়া কেমন হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি শিক্ষা বোর্ড।
বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক সভায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় আগের মতোই এসএসসির পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এবার কোটা পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশে ভর্তির একটি ওয়েবসাইট থাকবে। সেখানে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার জিপিএ ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, নিয়মে খুব একটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। আগের মতোই এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন করবে, তাতে কলেজ পছন্দ দেবে। ফল ও কলেজের শূন্য আসন বিবেচনায় নিয়ে সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
কবে একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগেই ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হতে পারে। অথবা প্রকাশের পরপরই এটা শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে।
আবেদন ও ভর্তি প্রক্রিয়া যেভাবে
কয়েক বছর ধরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তিইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। পরে শিক্ষার্থীর ফলাফল, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রম বিবেচনায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়।
এ পদ্ধতিতে শুধু কলেজ ও মাদরাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।
এদিকে, নটর ডেম, সেন্ট জোসেফ, হলি ক্রসসহ মিশনারি কয়েকটি কলেজ নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি নিয়ে থাকে। কলেজগুলোতে আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়।