

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগে বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর (বিএটি) বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা গেছে, কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ওঠা অর্থপাচার ও জালিয়াতির রহস্য উন্মোচনে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।
শনিবার (২৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা। এদিকে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে জয়েন্ট-স্টক কোম্পানিসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। নথিপত্র যাচাই শেষে জালিয়াতির সত্যতা মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
দুদকে দাখিল হওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর করাচিতে 'পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি' -পিটিসি পথচলা শুরু করে। পরে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় তাদের দুটি বড় কারখানা গড়ে তোলে। স্বাধীনতার পর আইনত এসব পরিত্যক্ত সম্পত্তির মালিক হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের। পিটিসি নিজেও করাচি থেকে এর বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ বুঝে নিয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পিটিসির ফাইন্যান্স ম্যানেজার এর বাংলাদেশে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা জামালুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট জালিয়াতি ও রাজনৈতিক প্রভাবে রাষ্ট্রীয় এই সম্পদ বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকোর (বিএটি) দখলে সহায়তা করে। এই জালিয়াতির কারণে গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশ হারিয়েছে ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।