

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে ৭ বছরের এক শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একটি চক্র।
পরে শিশুটিকে এলাকার পাকাপুল রোডের বেড়িবাঁধের পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত করতে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে তারা।
এছাড়া শিশুটির গলায়, বুকে ও পেটে অস্ত্র দিয়ে আঘাত কারার পাশাপাশি ইট দিয়ে তার মাথার একদিক থেঁতলে দেওয়া হয়।
পরে ওইদিন রাতেই শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
১৬ বছর আগে অর্থাৎ ২০১০ সালে ৬ মে’র ভয়াবহ ওই ঘটনার পরদিন শিশুটির মা কামরাঙ্গীরচর থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। পরে শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। উল্লেখিত বর্ণনা মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে।
ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশকে এজাহার হিসেবে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পড়ে র্যাবের কাছে। তদন্ত শেষ করে ২০১১ সালের ১৫ মে সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র এবং দুই শিশুর বিরুদ্ধে দোষীপত্র জমা দেয় র্যাব।
অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ২০ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত।
আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে পাঁচজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দুই আসামিকে দেওয়া হয় ১০ বছরের কারাদণ্ড।
আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সালাহউদ্দিন, শরিফুল ওরফে কোরবান মিয়া, খন্দকার ওমর ফারুক, রমজান ও সাদ্দাম।
এছাড়া ১৮ বছরের কম হওয়ায় দুই আসামিকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কাউসার ও নাজমা আক্তার নামের দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
মন্তব্য করুন
