

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাব আবারও পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর সময়ও এই ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা দেখা যায়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়,জিএমটি সময় ১:০০ টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে। যা আগের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে ইরানের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির সাথে মিলছে না।
ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল চলাচল নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইরান 'খুবই খারাপ কাজ' করছে। কেউ কেউ এটিকে অসম্মানজনকও বলবেন।’
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে কোনো ধরনের টোল আদায় করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল কমে গেছে। পাশাপাশি পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের সক্ষমতাও প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
মন্তব্য করুন
