

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আগামী ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর ২০২৬ ঢাকার শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক আয়োজন ‘এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আইটি প্রফেশনাল, নীতিনির্ধারক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এতে অংশ নেবেন।
বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিনের উদ্যোগে, অর্থকণ্ঠ, এনআরবি ওয়ার্ল্ড এবং গ্লোবাল এনআরবি চেম্বারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যবসা, বিনিয়োগ, পেশাগত সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা।
সম্মেলনের প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হবে ‘গ্লোবাল হেলথ সামিট ২০২৬’। এতে স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বিনিয়োগ, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। দেশের ও প্রবাসের খ্যাতনামা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নেবেন।
দ্বিতীয় দিনজুড়ে থাকবে এনআরবি বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রবাসী সম্পৃক্ততা, পেশাগত জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব নিয়ে বিভিন্ন অধিবেশন। বাংলাদেশের ব্যবসায়ী গ্রুপ, চেম্বার ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন নেটওয়ার্ক ও ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির উদ্যোগ থাকবে।
এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরাও অংশ নেবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মান জানাতে প্রদান করা হবে ‘এনআরবি অ্যাওয়ার্ড’।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের সামিটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশ ও প্রবাসের মধ্যে একটি কার্যকর ও দ্বিমুখী সেতুবন্ধ তৈরি করা। প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে দক্ষ প্রবাসী পেশাজীবীদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা হবে।
দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের ব্যবসা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতের একটি দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।


