বৃহস্পতিবার
২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘টাইলচক’ উদ্ভাবন করে গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড জিতল ডিবিএল সিরামিকস

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
‘টাইলচক’ উদ্ভাবনে গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড জিতল ডিবিএল সিরামিকস
expand
‘টাইলচক’ উদ্ভাবনে গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড জিতল ডিবিএল সিরামিকস

বাংলাদেশের সিরামিকস শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ‘ডিবিএল সিরামিকস’। প্রতিষ্ঠানটির উদ্ভাবনী সাসটেইনেবিলিটি উদ্যোগ ‘টাইলচক’ ক্যাম্পেইন বিশ্ববিখ্যাত ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ড ওয়ান শো ২০২৬ -এ দুটি ক্যাটাগরি, গ্রিন পেন্সিল এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস পেন্সিল এ মেরিট এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।

এই অর্জনের মাধ্যমে ডিবিএল সিরামিকস এখন বাংলাদেশের প্রথম সিরামিকস ব্র্যান্ড, যারা এই লেভেলে গ্লোবাল ক্রিয়েটিভ প্ল্যাটফর্মে স্বীকৃতি পেল।

এর আগে থেকেই ‘টাইলচক’ ক্যাম্পেইনটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একের পর এক পুরস্কার অর্জন করে আসছিল। ইতিমধ্যে এর ঝুলিতে জমা হয়েছে এশিয়ার বিখ্যাত স্পাইকস এশিয়া, অ্যাডফেস্ট এবং দ্য অ্যাডফোরাম ফিনিক্স ট্রিবিউট ২০২৬-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ সব সম্মাননা।

‘টাইলচক’ একটি সাসটেইনেবিলিটি উদ্যোগ যা সার্কুলার ইকোনমির এক দারুণ উদাহরণ। যেখানে টাইলস তৈরির সময় উৎপন্ন হওয়া সিরামিক স্লাজকে (বর্জ্য কাদামাটি) ব্যবহার করে ক্লাসরুমের চক তৈরি করা হয়েছে।

একই সাথে সমাজের দুটি বড় সমস্যার সমাধান করছে এই প্রজেক্ট, একদিকে কারখানার পরিবেশগত ক্ষতিকর বর্জ্য কমানো, অন্যদিকে আমাদের সুবিধাবঞ্চিত স্কুলগুলোতে শিক্ষার উপকরণের অভাব দূর করা।

প্রকল্পটির প্রভাব আরও বিস্তৃত করতে ‘টাইলচক’-এর ফর্মুলা ওপেন সোর্স করা হয়েছে, যাতে অন্যান্য নির্মাতারাও এটি ব্যবহার করে একই ধরনের উদ্যোগ নিতে পারেন।

ডিবিএল সিরামিকস-এর চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মোহাম্মদ বায়েজীদ বাশার বলেন, ‘এই সম্মান পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত। পুরস্কার অবশ্যই অনুপ্রেরণার, কিন্তু আমাদের কাছে আসল অর্জন হলো আমাদের কারখানায় 'জিরো-ডাম্পিং' নিশ্চিত করা এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে শেখার উপকরণ পৌঁছে দেওয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে এই প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং ব্যবসার বাইরেও মানুষের জীবনে সত্যি কোনো কাজে আসে, এমন সব টেকসই সমাধান তৈরিতে আমরা সবসময় কাজ করে যাব।’

ওয়ান শো-এর মেরিট এ্যাওয়ার্ড এই স্বীকৃতি দেখায়, সৃজনশীলতা শুধু বিজ্ঞাপন বা কমিউনিকেশনেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি পরিবেশ ও সমাজের বড় বড় সমস্যার সমাধানও দিতে পারে। ‘টাইলচক’ দেখিয়ে দিচ্ছে কীভাবে শিল্পবর্জ্যকে শিক্ষা ও পরিবেশ, দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার বানানো যায়। ডিবিএল সিরামিকস ভবিষ্যতেও টেকসই উদ্ভাবনের মাধ্যমে এভাবেই এগিয়ে যেতে চায়।

ডিবিএল সিরামিকসের এই উদ্যোগ সম্পর্কে আরও জানতে: https://dblceramics.com/en/tile-chalk

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন