

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশীয় প্রযুক্তি খাতে কৌশলগত এক পদক্ষেপে ওয়ালটন গ্রুপের দুই কোম্পানি একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী কোম্পানি ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একীভূত হচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে।
ওয়ালটনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৯ এপ্রিল উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী শনিবার ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালনা পর্ষদের ৫০তম সভায় একীভূতকরণ সংক্রান্ত পরবর্তী সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শনিবার কোম্পানির প্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) অনুযায়ী, মার্জার প্রক্রিয়ায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামী ৪ মে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ মে বৃহস্পতিবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে হবে বিশেষ সাধারণ সভা বা ইজিএম।
একই সঙ্গে ক্রেডিটরদের সম্মতির বিষয়টিও প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনায় থাকবে। তবে প্রস্তাবিত এই একীভূতকরণ কার্যকর হবে শেয়ারহোল্ডার ও ক্রেডিটরদের অনুমোদন, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতি এবং হাই কোর্টের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে।
এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার সূচনা হয় গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর, সেদিন ওয়ালটন হাই-টেক ও ডিজি-টেটের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পাশাপাশি ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তা অনুমোদন করা হয়েছে।
ওয়ালটন বলছেন একীভূতকরণ প্রত্রিয়া সম্পন্ন হলে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি) ও ইলেকট্রিক বাইকের মত পণ্য যুক্ত হয়ে ওয়ালটন হাই-টেকের পণ্যসম্ভার আরও সমৃদ্ধ হবে।
এর ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, বাজার পরিধির সম্প্রসারণ ঘটবে এবং পরিচালন ব্যয় কমবে বলে আশা করছে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।
ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড বা পিসিবি, ইলেকট্রিক বাইকসহ ১২৩ ধরনের পণ্য ও এক্সেসরিজ উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
বাংলাদেশের একমাত্র মোবাইল ফোন এবং প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানাও স্থাপন করেছে এ কোম্পানি।
আর ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ রেফ্রিজারেটর, কম্প্রেসর, এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, এলিভেটর, ফ্যান, কেবল, ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স উৎপাদন, বাজারজাত ও রপ্তানি করে।
২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে ওয়ালটন ডিজি-টেকের পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩০ কোটি টাকা, আর নিট রেভিনিউ ছিল ৯১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কর পরবর্তী মুনাফা ছিল ৪ কোটি ৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩০২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। নিট রেভিনিউ ছিল ৭ হাজার ৮২ কোটি টাকা; কর পরবর্তী মুনাফা ছিল ১ হাজার ৩৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
মন্তব্য করুন
