

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা মজলুম ছিলেন তারা ভিন্ন সুর দিচ্ছেন। তারা চাঁদাবাজি করছেন, হুমকি দিচ্ছেন এগুলো বাদ দিন। আগের দিন ভূলে যান এখন আমার ভোট আমি দিব অন্যের ভোট আপনি দিতে পারবেন না। যুবকরা বেকার ভাতা চায়না। আমরা কথা দিচ্ছি আমরা বেকারত্ব দূর করে যুবকদের হাতে উপহার দিতে চাই। জুলাইয়ের পনের তারিখ আমাদের মেয়েদের গায়ে যখন হাত দেওয়া হয় সারাদেশ তখন জ্বলে উঠে। আবু সাঈদের বুকে গুলি লাখার পরে দেশ আন্দোলনে হুমরি খেয়ে পড়ে।
বুধবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বিকালে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, শ্রমিকের জন্য কর্ম পরিবেশ চাই,আমরা নয়ায় বিচার চাই,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সব চেয়ে নির্যাতনের স্বীকার,বাংলাদেশে একমাত্র সংগঠন যেটি হাসিনা সরকার নিবন্ধন বাতীল করেছে,সাংবাদিকরা মজলুম ছিলো, শ্রমিকরা মজলুম ছিলো, সকল স্থরের মানুষ মজলুম ছিলো। ৫ আগষ্টের পরে জামায়াতে ইসলাম নির্বাচন চাই নাই সিজদাহ পড়েছিলো কারণ ফ্যাসিস্ট থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।আমাদের কর্মীরা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো তারপরেও আমরা চাঁদাবাজি করে নাই। আমরা মামলা বানিজ্য করিনাই, আমরা জাতীর সাথে কথা রেখেছি।
তিনি আরও বলেন,৬ আগষ্ট থেকে ৮ আগষ্ট পর্যন্ত আমাদের কর্মীরা সব জায়গায় পাহাড়া দিয়েছে যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিলো না। আমরা শহীদ পরিবারের পাশে ছিলাম আহতদের পাশেও ছিলাম। আমরা বসন্তের কোকিল না যে নির্বাচন আসলে আসবো। আমরা দফায় দফায় জেলে গেয়েছি তারপরও বাংলাদেশ ছাড়ি নাই। আমরা ছেড়ে যাবনা। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখাখে নিরাপদ খাদ্য পাবে, নিরাপদ ভাবে নারীরা চলতে পারবে। যুবকরা বেকার থাকবেনা। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়ন পাবেন।
শফিকুর রহমান বলেন,দুটি ভোট আপনাদের কাছে চাই, সেটি হলো জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে হ্যাঁ ভোট দিবেন এরপর যারা দেশে সততার সাথে কাজ করবে ১১ দলীয় জোটের মার্কায় ভােট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।
সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন,১৭ বছর আওয়ামী ক্ষমতায় থাকার কারণ বিএনপি, বিএনপির সাথে ঐক্য থাকার কারণে দেলোয়ার হোসেন সাঈদি সহ জামায়াতের নেতাদের ফাঁসি দিয়েছে। বিএনপির জ্বালা শুরু হয়ে গেছে আওয়ামীলীগের জন্য। বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসা।
বাংলাদেশে নারীদেরকে নিয়ে টাম কার্ড শুরু হয়েছে।বিএনপি যখন নারীদের উপর অত্যাচার করে তখন কোন কর্মসূচি থাকেনা। যখন একটি ভূয়া পোস্টের কারণে কর্মসূচি ঘোষনা করে। অথচ হ্যাক করে পোস্ট করা হয়োছিলো। ষড়যন্ত্র যতই করেন না কেন লাভ নেই বলে হুশিয়ারি দেন নেতাকর্মীরা।
জেলা জামায়াতে আমীর আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা ও এমপি পদপ্রার্থীরা বক্তব্য দেন।
টাঙ্গাইলের ৮ টি আসনের প্রার্থীদেরকে প্রতিক তুলে দেন।
মন্তব্য করুন
