

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামী করে ২৩১ জনকে স্ব-নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ জনসহ মোট ৭৩১জনকে আসামী করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা। এর আগে, ঘটনার তিনদিন পর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় এ মামলাটি করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত আসামীদের নাম গোপন রাখা হয়েছে। আমরা যাচাই-বাছাই করছি, যাদেরকে এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে, যারা জড়িত নয়, তাদের কোনভাবেই হয়রানী করা হবে না। আসামী গ্রেপ্তার আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি জানান, আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়ামে শহীদ রেজাউলের জন্য দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জামায়াতসহ ১০দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি বুধবার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন এবং উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।
এখনো উভয়দলের অন্তত ১০-১২ জন কর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঝিনাইগাতী উপজেলার যুবদল নেতা আমজাদ হোসেনের অবস্থা সংকটাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন জামায়াত নেতা তাহেরুল ইসলামের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন দলীয় সূত্রগুলো।
মন্তব্য করুন
