

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শরীয়তপুরের সখিপুর থানার ওসি মোঃ নাজিম উদ্দিন শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সখিপুর বাজারে খোলা জ্বালানী তেল(পেট্রোল)বিক্রি বন্ধের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশ দিতে বাজারে গিয়েছিলেন।
এসময় বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সোমেল সরদার। গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ওসি নাজিম উদ্দিন তাকে ডেকে পরিচয় জিজ্ঞেস করেন এবং এক পর্যায়ে রাজনৈতিক পরিচয় জিজ্ঞেস করতেই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন সোমেল সরদার।
ওসির সহযোগী ও একজন এসআইয়ের সাহায্যে তাকে ধরার চেষ্টা করলে তিনি ওসি নাজিম উদ্দীনকে সজোড়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় সঙ্গীয় ফোর্স ও লোকজন মিলে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আঘাতের কারনে অন্যান্য আঘাতের পাশাপাশি বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুলের নখ উঠে যায়।
এ বিষয়ে সাজেদা জাব্বার হাসপাতালের ডাক্তার সুজন চন্দ্র দাস বলেন- ওসির আঙ্গুলে জখম নিয়ে আমাদের এখানে আসেন আমরা চিকিৎসা দিয়ে দিছি। তবে তার কনিষ্ঠ আঙুলের নখ উঠে যায়।
এ বিষয়ে ওসি নাজিম উদ্দিন কে জিজ্ঞেস করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন - আমি বাজারে খোলা জ্বালানি তেল (পেট্রোল) বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিতে গিয়েছিলাম। আমার পিএস আমাকে বললেন উনিই সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সোমেল সরদার। তখন আমি তার পরিচয় জানার জন্য কথা বলতে এগিয়ে যাই। তার রাজনৈতিক পরিচয় জিজ্ঞেস করতেই আমাকে সজোড়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। তার আঘাতে আমার কনিষ্ঠ আঙ্গুলের নখ উপড়ে যায়।
এ বিষয়ে আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি,উর্ধতন কর্মকর্তা কে বিষয়টি অবগত করেছি। তিনি যে নির্দেশ দিবেন তাই করবো।
বিষয়টি নিয়ে সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সোমেল সরদার কে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলার অবনতি বলে মত প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন
