

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টেন্ডারের জামানত ছাড়কে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এক ঠিকাদারকে অফিস কক্ষে ঘন্টাখানিক আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি একটি টেন্ডারের বিপরীতে জমা রাখা ১ লাখ ৪২ হাজার টাকার জামানত ছাড় করতে গেলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলামিন হোসেন তার কাছে দেড় হাজার টাকা দাবি করেন। প্রথমে এক হাজার টাকা দেওয়ার পরও ফাইল ছাড় না হওয়ায় বৃহস্পতিবার আবার অফিসে যান। সেখানে আরও ৫০০ টাকা ও অফিস সহায়কের জন্য ১০০ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
জাহাঙ্গীর হোসেনের দাবি, তখন তাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। পরে অন্যান্য ঠিকাদারদের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্ত হন। ঘটনার সময় উপস্থিত জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দীন লিটন ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেন।
অন্যদিকে সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী জানান, ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হোসেন অফিসের এসও আলামিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তিনি এসও আলামিনকে মারতে উদ্যত হয়। দু’পক্ষের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জাহাঙ্গীরকে সেভ করার জন্য একটি ঘরে তালা বন্ধ করে রাখা হয়। এরপর জেলা ঠিকাদার কল্যাণ কমিটির লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। তার পৌঁছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যস্ততায় দু’পক্ষের মিমাংসা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত জানান, দু’পক্ষের মিমাংসা করা হয়েছে। তবে কেউ ঘুষ নিয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন
