

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে পার্বত্য পর্যটনকেন্দ্র Sajek Valley-এ পর্যটকদের ঢল নামার প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে জনপ্রিয় এই গন্তব্যের প্রায় সব রিসোর্ট ও কটেজ আগাম বুকিংয়ে পূর্ণ হয়ে গেছে, ফলে ছুটির পুরো সময়জুড়ে ভিড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, ২১ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটির সময় সাজেকের আবাসন সুবিধাগুলোর শতভাগ বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসুরা আগেভাগেই অনলাইন ও সরাসরি বুকিং নিশ্চিত করেছেন। এতে করে বুকিং ছাড়া গেলে আবাসনসংকটে পড়তে পারেন পর্যটকরা।
গত ২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী দেশের প্রেক্ষাপট ও পাহাড়ের নানা অস্থিরতা, বিরাজমান পরিস্থিতি অন্যদিকে সাজেকের বিশাল একটি অংশের আগুনে পুড়ে যাওয়ার ফলে ধস নামে সাজেকের পর্যটন শিল্পের ব্যবসা। সেই ধস কাটিয়ে উঠতে নতুন আঙ্গিকে নিয়ম মেনেই তৈরি হয়েছে রিসোর্ট ও কটেজ। আর পুরোনো ক্ষতি পুষিয়ে উঠার কথা জানিয়েছে পর্যটন শিল্পের ব্যবসায়ীরা।
আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর বর্তমানে সাজেকে শতাধিক রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। ঈদের ছুটিকে উপভোগ করতে ২৮ মার্চ পর্যন্ত রয়েছে শতভাগ বুকিং। ভোগান্তি কমাতে ঈদের ছুটিতে রুম বুকিং নিয়ে আসার পরমর্শ দিয়েছে সাজেক কটেজ এন্ড রিসোর্ট ওনার্স এসোসিয়েশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা।
এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে সাজেকে পর্যটকদের বাড়তি নিরাপত্তা ও সর্তকতার কথা জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। যৌথ টহলে পর্যটক আসা যাওয়া করবে সাজেকে। ঈদে পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে থাকবে নজরদারি এমনটাই বলেছেন সাজেক টুরিস্ট পুলিশের উপ পরিদর্শক নিশাত রায়।
প্রসঙ্গত, ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের আগমনে প্রাণ ফিরে পাবে সাজেক পর্যটন শিল্পের, ১০ দিনের টানা ছুটিতে ব্যবসায়ীরাও দেখছেন বাড়তি আয় এবং পুরোনো ক্ষতি পুষিয়ে উঠার উৎসাহ।
মন্তব্য করুন