

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নাটোরের বড়াইগ্রামে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে যাওয়ার এনসিপির নারীনেত্রীসহ মহিলাদের কর্মীদের হেনস্তা, নির্বাচনী ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে বনপাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা। এছাড়া এসব ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হুমায়ন কবীর। এ সময় হেনস্তার শিকার এনসিপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয় যুব শক্তির জেলা সদস্য সচিব শারমিন আক্তার, হেফাজতে ইসলামের উপজেলা সভাপতি ক্বারী মাওলানা ওমর ফারুক, এনসিপি’র কেন্দ্রীয় সংগঠক আমীর হামজা ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আক্কাস আলী তাহাস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের উপজেলা সেক্রেটারী হাফেজ মাওলানা শিহাব উদ্দিন নাটোরী ও জাতীয় ছাত্র শক্তির উপজেলা সদস্য সচিব নাঈম ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে এনসিপি নেত্রী শারমিন আক্তারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন নারী উপজেলার শ্রীখন্ডি গীর্জা এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাচ্ছিলেন।
এ সময় ধানের শীষের প্রচার স্টিকার ও ছোট ব্যানার লাগানো দুটি মোটর সাইকেলে ৪-৫ জন ব্যাক্তি সেখানে যান। পরে তারা নিজেদের ধানের শীষের কর্মী দাবী করে ওই নারীদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং হুমকি দেয়াসহ গালিগালাজ করেন। পরে নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা সেখান থেকে চলে যান। এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে কে বা কারাবনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা এলাকায় দাঁড়িপাল্লার ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁেড় ফেলেছে। তবে এ ঘটনার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন ১১ দলের নেতারা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জোয়াড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, দাঁড়িপাল্লার ভোট চাওয়ায় নারীদের হেনস্তার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এমন ঘটনা ঘটলেও আমাদের কেউ তার সাথে জড়িত নয়। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানান, এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন
