

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর সি কে ঘোষ রোডস্থ সারিন্দা রেস্টুরেন্টে এ আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে জেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম, আলেম-ওলামা, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমিনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর-০৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আমিনুল হক বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এই মাসে ইমাম সমাজের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। তিনি বলেন, ইমামরা শুধু নামাজ পরিচালনাই করেন না, সমাজ গঠনে নৈতিকতা ও আদর্শ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ঐক্যবদ্ধ ইমাম সমাজই পারে একটি আদর্শ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণ করতে। তিনি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, আলেম-ওলামা ও ইমামগণ সমাজের আলোকবর্তিকা। তারা মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি চর্চার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। সরকার মসজিদভিত্তিক শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি ইমামদের মর্যাদা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মঞ্জুরুল হক তার বক্তব্যে বলেন, ইমামদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি জেলা ও মহানগর শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফজলুল হক বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে ইমামদের ঐক্যবদ্ধ করে দ্বীনি খেদমত ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। তিনি সকলকে সংগঠনের কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
ইফতারের পূর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলে ফিলিস্তিনসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়।সার্বিকভাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিলটি ছিল সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পরিপূর্ণ। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এমন আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন