

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ময়মনসিংহের ভালুকায় নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম ও তার কর্মী-সমর্থকের নামে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলাটি করেছেন।
জানা যায়, নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের (হরিণ) কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পালটাপালটি হামলার অভিযোগ করে আসছিল।
গত ২৫ জানুয়ারি ভালুকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কানার মার্কেট, বাটাজোর বাজার ও হবিরবাড়ি এলাকায় মারধরের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় মোর্শেদ আলমের লোকজন এসে ভালুকা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়সহ আশপাশের দোকানপাট ভাঙচুর করেন।
ভালুকা পৌর বিএনপি নির্বাচনী মিছিল ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টনের কার্যালয়ে হামলা করে।
পরে ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকরা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব (হরিণ) প্রতিকের সমর্থক আদি খান সাকিলের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা করে অগ্নিসংযোগ করেন।
রাত ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। পরে উপজেলাজুড়ে হামলা পাল্টা হামলা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ঘন্টাখানেক অবরোধ থাকে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে থেকে দুটি অভিযোগ ভালুকা মডেল থানায় দিলে সোমবার রাতে রুহুল আমিন মাসুদের অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
মামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমসহ ১৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৫শ জনের নামে মামলা হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপর একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই ওসি।
মন্তব্য করুন
