

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জাতীয় সংসদের ২৭৪ নম্বর আসন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ)। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৪ হাজার ২৬১ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪ জন ভোটার।
প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ৪ হাজার ৪৬৪টি ভোট অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬০০টি।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, একজন প্রার্থীকে জামানত রক্ষার জন্য বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। সে হিসেবে এ আসনে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ১৯ হাজার ২০০ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাহবুব আলম পান ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট।
উল্লেখিত দুই প্রার্থী ব্যতীত বাকি পাঁচজন প্রার্থী ১৯ হাজার ২০০ ভোটের কম পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জাকির হোসেন পাটোয়ারী (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৮০ ভোট। ব্যাপক প্রচারণা ও আলোচনায় থাকলেও প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এছাড়া এ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে মাহমুদুর রহমান মাহমুদ পেয়েছেন ৪১০ ভোট, সিংহ প্রতীকে মো. আলমগীর হোসাইন পেয়েছেন ১০৫ ভোট, মই প্রতীকে বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট এবং ট্রাক প্রতীকে কাউসার আলম পেয়েছেন ১১৪ ভোট। তারাও নির্ধারিত এক অষ্টমাংশ ভোটের কম পাওয়ায় জামানত হারান।
মন্তব্য করুন
