

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে নিহত সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) বাদ যোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহে নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আমির হামজা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ ইয়াকুব আলিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্য এবং সাধারন মানুষ অংশ নেয়।
এসময় হত্যাকান্ডের কঠোর বিচারের দাবি করেন সবাই। জানাজা শেষে বিকেল ৩টার দিকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে আসমা সাদিয়া রুনার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এর আগে সকালে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
অন্যদিকে,সকালে আসমা সাদিয়া রুনা নিহতের ঘটনায় ঘাতক কর্মচারী ফজলুর রহমান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যান বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিষ্টার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোঃ হাবিবুর রহমানের নামে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নিহতের স্বামী মোঃ ইমতিয়াজ সুলতান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাসুদ রানা জানান,"আজ সকালে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী মোঃ ইমতিয়াজ সুলতান ৪ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"
নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ মোড়ে বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জননী। এছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সমাজ কল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এরআগে,গতকাল বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে ক্যাম্পের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে নিজ অফিস কক্ষে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ অফিসে গলা কেটে হত্যা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজেও ঐ কক্ষেই নিজ গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ফজলুর বর্তমানে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ও নিহতের পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে কেন এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালাচ্ছে প্রশাসন।
মন্তব্য করুন