

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শারীরিক অসুস্থতা, বয়স বৃদ্ধি ও পারিবারিক ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জয়পুরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন গোলাম কিবরিয়া তাপস।
গত ২ জুলাই তিনি দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের কাছে সাংগঠনিক সম্পাদকের মাধ্যমে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
তবে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া না আসায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) তিনি নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
পদত্যাগপত্রে গোলাম কিবরিয়া তাপস উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে এনসিপির জয়পুরহাট জেলা শাখার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলের আদর্শ ও উদ্দেশ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
তবে বয়স বৃদ্ধি, শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক নানা ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে দলের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব যথাযথভাবে ও সক্রিয়ভাবে পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন গোলাম কিবরিয়া তাপস।
এতে সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে তিনি স্বেচ্ছায় আহ্বায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান।
তিনি বলেন, দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সেই চিন্তা থেকেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সাধারণ সদস্য হিসেবে ভবিষ্যতেও দলের মঙ্গল ও অগ্রযাত্রায় কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
দায়িত্ব পালনের সময় জেলার সব স্তরের নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার জন্য পদত্যাগপত্রে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গোলাম কিবরিয়া তাপস।
পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘গত ২ জুলাই লিখিত আবেদনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।
তবে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা উত্তর পাইনি। তাই আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপির জয়পুরহাট জেলা কমিটির আহ্বায়ক পদ থেকে আমার পদত্যাগের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করছি।’
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমরান ইমন বলেন, বিষয়টি আমি অনানুষ্ঠানিকভাবে শুনেছি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্রটি তার কাছে আসেনি।