মঙ্গলবার
২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে সন্তানের লাশ নিয়ে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে বিচার চাইলেন মা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
সন্তানের লাশ নিয়ে মানববন্ধনের দাঁড়িয়ে বিচার চেয়েছেন এক মা
expand
সন্তানের লাশ নিয়ে মানববন্ধনের দাঁড়িয়ে বিচার চেয়েছেন এক মা

ঝালকাঠিতে সন্তানের লাশ নিয়ে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে বিচার চেয়েছেন এক মা।

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাউতিতা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মা লিয়া মনি আক্তার তার ১৩ মাসের কন্যা সন্তান জেসমিনের লাশ নিয়ে বিচারের দাবিতে মানববন্ধনে দাড়ান।

মেয়ের জন্মদাতা প্রেমিক হৃদয় বেপারীর জন্য শিশু জেসমিনের মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ মা লিয়া মনি। মেয়ে হত্যার জন্য হৃদয় বেপারির ফাঁসি চাওয়া হয় মানববন্ধন থেকে।

এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- লিয়া মনি, তার বাবা মো. ফারুক হোসেন মাঝি, মা পলি বেগম, চাচা বেল্লাল মাঝি, ফুপু জোসনা বেগম।

বক্তারা বলেন,‘ ২০২১ সালে একই এলাকার হৃদয় বেপারির সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান লিয়া মনি। প্রেমিক হৃদয় বেপারীর সাথে অবৈধভাবে মেলামেশার এক পর্যায়ে গর্ভবতী হন লিয়া মনি।

২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা্ সন্তানের জন্ম দেন লিয়া মনি। এ সময় প্রেমিক হৃদয় বেপারী তার মামা রফিক হাওলাদার ও নানা মান্নান হাওলাদার সাথে ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে বাসা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে নবজাতক শিশু নিয়ে পালিয়ে যান হৃদয় বেপারি ও তার স্বজনরা। পরে রাস্তার পাসে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

সেখান থেকে এক ভিক্ষুক উদ্ধার করে চাইল্ড হোমে পাঠান। সেখানে বেড়ে ওঠে ওই নবজাতক শিশু। ঘটনার তিন মাস পরে খবর পেয়ে লিয়া মনির পরিবার ওই শিশুটিকে আনার ইচ্ছে প্রকাশ করে।

ডিএনএ পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনী প্রক্রীয়া শেষ করে এ বছরের ৯ মার্চ ওই শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে আসে। শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে শিশু জেসমিনের মৃত্যু হয়।

ধর্ষণের অভিযোগ এনে লিয়া মনি বাদী হয়ে হৃদয় বেপারী সহ তিনজনের বিরুদ্ধে গত ৯ মার্চ ঝালকাঠি থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত হৃদয় ব্যাপারী পলাতক রয়েছে। তবে অভিযুক্ত হৃদয় বেপারীর বাবা আবুল বেপারী তার ছেলে বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহম্মেদ বলেন,‘ ধর্ষণে অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামি পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন