

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের আলোচিত ব্যক্তি মঈদুল্লাহ ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ২৯ বোতল উইনকরেক্স উদ্ধার করেছে র্যাব-৬ যশোর।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলা এ অভিযানের পর তাকে আটক করা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে তাকে ফাঁসানো হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজেই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, মঈদুল্লাহর বেস্ট ব্রেড অ্যান্ড বেকারি কারখানা, অফিস ও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জেনারেটর কক্ষ থেকে ২৯ বোতল উইনকরেক্স উদ্ধার করা হয়। র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি বর্তমানে ভারতীয় ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি হয়ে থাকে।
অন্যদিকে মঈদুল্লাহ ও তার পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন আগে মাদক ব্যবসা ছেড়ে বেকারির ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন। সম্প্রতি র্যাবের এক সদস্যের ব্যক্তিগত বিরোধের কারণেই তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযানের শুরুতেই র্যাব সদস্যরা সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে যান।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিভিল পোশাকে পাঁচ থেকে ছয়জন র্যাব সদস্য প্রথমে কারখানায় প্রবেশ করেন এবং সিসি ক্যামেরার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। পরে সেখানে কোম্পানি কমান্ডার উপস্থিত হলে তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার হয়।
অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে মঈদুল্লাহর পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের অসংখ্য মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। দীর্ঘ তল্লাশির পর মাদক উদ্ধারের দাবি করে র্যাব তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা র্যাবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন, ফলে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার এটিএম ফজলে রাব্বি প্রিন্স বলেন, মঈদুল্লাহ একজন আলোচিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রয়েছে, যার অধিকাংশই মাদকসংক্রান্ত। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হবে। পরিবারের ফাঁসানোর অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।