

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ষষ্ঠীতলা এলাকার আলোচিত মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। শনিবার রাতে ঝুমঝুমপুর মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। রোববার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আটক মনিরুল ইসলাম ষষ্ঠীতলা এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই অলক কুমার দে জানান, মনিরুলের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্রসহ ১৭টি মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জানুয়ারি রাতে শংকরপুর ইসহাক সড়কে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করা হয় আলমগীর হোসেনকে। তিনি শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বাদী হয়ে জামাতা পরশ ও সহযোগী সাগরসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে পরশ ও সাগরকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে মামলার মূল শুটার হিসেবে বেজপাড়ার ত্রিদিব ওরফে মিশুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে জবানবন্দিতে তিনি রায়পাড়া তুলোতলা এলাকার শাহীন কাজীর নাম উল্লেখ করেন। শাহীনও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মনিরুলকে আটক করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের জামাতা পরশ, সহযোগী সাগর, শুটার ত্রিদিব ওরফে মিশুক, শাহীন কাজী এবং সর্বশেষ মনিরুলসহ মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, একটি সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে মোট ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়। প্রথম দফায় ৫ লাখ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ঘটনার দিন বিকেলে ১ লাখ টাকা ও একটি পিস্তল তুলে দেওয়া হয় শুটারের হাতে। বাকি অর্থ ধার ও পরবর্তীতে পরিশোধের পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনটি মোটরসাইকেলে ভাগ হয়ে ১০ থেকে ১২ জন অভিযানে অংশ নেয়।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আলমগীর হোসেন মোটরসাইকেলে ইসহাক সড়কে প্রবেশ করলে তিনটি মোটরসাইকেল তাকে অনুসরণ করে। সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের কাছে পৌঁছালে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।
মন্তব্য করুন