

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান।
সম্প্রতি নিজের ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ থেকে ছড়ানো তথ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে গুরুত্ব পাওয়ায় তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তার ভাষ্য, এর ফলে দেশের মূলধারার কয়েকটি গণমাধ্যমও একই বিষয়কে ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক ন্যারেটিভ তৈরি করেছে।
মাহদী হাসান দাবি করেন, তাকে ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত বিষয়ে ভারতে যাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যা তার মতে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি লেখেন, “যে বিষয়ে আমার পূর্বে কোনো ধারণাই ছিল না, সেটিকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকৃত তথ্য প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো তা নিয়ে নীরব রয়েছে। বিষয়টিকে তিনি “সংগঠিত মিডিয়া ট্রায়াল” হিসেবে উল্লেখ করে গণমাধ্যমের জবাবদিহিতা দাবি করেন।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বা অভিযুক্ত অন্য কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“আমার উপর যেভাবে জুলুম করা হলো, এর দায় কি বিবিসি নেবে না? আওয়ামী লীগের পেজ থেকে ছড়ানো প্রোপাগান্ডাকে বিবিসি লেজিটিমেসি দেওয়ার মাধ্যমে পুরো দেশের কাছে আমাকে ফ্লেমিং করেছে। দেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলো সুযোগ পেয়ে ন্যারেটিভ দাঁড় করালো যে, আমি নাকি ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে ভারতে গিয়েছিলাম—অথচ বিষয়টি সম্পর্কে পূর্বে আমার বিন্দুমাত্র ধারণাই ছিল না।
আজ যখন অনুসন্ধানে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হলো, তখন আর কেউ কথা বলছে না। এই সংগঠিত মিডিয়া সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলার কি কেউ নেই?”
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
মন্তব্য করুন
